বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি হেলাল দিঘলিয়ার সারোয়ার খান কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগ ● বৃষ্টির শঙ্কায় বাংলাদেশ-চীন ম্যাচ, পরিত্যক্ত হলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ● নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ সরকারের ● ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ ● ভারতীয় ইলিশকে দেশীয় বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা
কেসিসি নির্বাচন

কেসিসি নির্বাচনে এবারও মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন মুশফিক

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বহুল আলোচিত এস এম মুশফিকুর রহমান। গত সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এবার তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

মুশফিকুর রহমান ছোটবেলা থেকেই খুলনা শহরে বেড়ে ওঠেন। ১৯৯৫ সালের ২৫ এপ্রিল মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম হত্যা মামলায় তার নাম আসে বলে জানা যায়। পরবর্তীতে খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এস এম এ রব এবং যুবলীগ নেতা টুটুল হত্যা মামলার অভিযোগপত্রেও তার নাম থাকার কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে। এসব ঘটনার পর দীর্ঘ সময় তিনি খুলনার বাইরে ছিলেন বলে জানা যায়।
এর আগে তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দীর্ঘদিন পর ২০১৭ সালে খুলনায় ফেরেন তিনি। ওই বছরের ২৮ জানুয়ারি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। পরে রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ২০১৮ সালের কেসিসি নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন তৎকালীন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

মুশফিকুর রহমানের পোশাক-পরিচ্ছদ ও চলাফেরাও নগরবাসীর মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি করে। খোলা জিপে চলাফেরা এবং সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামার সঙ্গে মাথায় পাগড়ি পরার কারণে অনেকে তাকে ‘দরবেশ’ বলেও অভিহিত করেন।
হত্যা ও নারী সংক্রান্ত মামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছেন মুশফিকুর রহমান। তবে এসব আলোচনা-সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন বলে দাবি করেন। তাঁর ভাষায়, “আলোচনা-সমালোচনায় আমি মোটেও বিচলিত নই।” মেয়র প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতির বিষয়ে মুশফিকুর রহমান বলেন, “আমি মেয়র পদে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। আমি চাই একটি গুণগত পরিবর্তন। নগর ভবন হবে জনবান্ধব। নাগরিকদের সম্মান রক্ষাই হবে আমার প্রথম অঙ্গীকার।”

তিনি আরও বলেন, দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের উন্নয়নের সঙ্গে খুলনার তুলনা করলে নগরী অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তন করে খুলনাকে বাসযোগ্য, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493