খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) হিসেবে রূপান্তরের ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামীকাল মঙ্গলবার বর্ণিল ও উৎসবমুখর আয়োজনে উদযাপিত হবে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’। দিবসটি ঘিরে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নতুন সাজে সাজানো হচ্ছে বিভিন্ন প্রাঙ্গণ। দিনব্যাপী কর্মসূচি সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিও।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, এমপি। বিশেষ অতিথি থাকবেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ।
এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডিএমের পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহজাহান আলী।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামের সামনে প্রীতি সমাবেশের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করা হবে। পরে বের করা হবে আনন্দ র্যালি। র্যালি শেষে বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন, ‘কুয়েটের অর্জন (ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ)’ শীর্ষক উপস্থাপনা, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণসহ নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
বিকেলেও থাকছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় আয়োজন। বিকেল ৩টায় স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের নিচতলায় পোস্টার ও প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশনের আয়োজন করা হয়েছে। একই সময়ে দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ল্যাবরেটরি উন্মুক্ত রাখা হবে।
বিকেল ৪টায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। এরপর বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
দিনের শেষ আয়োজন হিসেবে সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে কেন্দ্র করে কুয়েটের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন আয়োজনকে ঘিরে মুখরিত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। দিবসটির কর্মসূচি সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বয়ে প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের দিন কুয়েট ক্যাম্পাসে দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করবে।

