রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
রাজনীতি

ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজনীতি ডেস্ক:

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোনো একক রাজনৈতিক নেতার হাতে নয়, বরং দেশের জনগণের হাতে নির্ধারিত হবে। তিনি দাবি করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের জন্য ইতিবাচক কিছু দিতে পারবেন না এবং তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎও ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের’ দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে’ এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “বাংলাদেশের জনগণই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো ধরনের আপস বা নেগোসিয়েশনের সুযোগ নেই। আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথেই এগিয়ে যাব।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় তারেক রহমান দেশে উপস্থিত ছিলেন না। তার ভাষায়, “সেই আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালক, গৃহিণী, আলেম এবং শিক্ষার্থীরা। কিন্তু তারেক রহমানের কোনো উপস্থিতি আমরা দেখিনি। এখন দেশে এসে সবকিছু বোঝার আগেই সিদ্ধান্ত দেওয়ার চেষ্টা করছেন।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ওই দিনের সকাল থেকেই সারাদেশ কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল এবং বিভিন্ন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। তিনি দাবি করেন, তিনি ও নাহিদ একটি বাসায় অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করলে গুলির আশঙ্কার কথা জানিয়ে তাদের সতর্ক করা হয়েছিল। পরিস্থিতি যাচাই করতে নিচে একজন শিক্ষককে পাঠানো হলে তিনি ফিরে এসে জানান, বাইরে যাওয়ার মতো কোনো নিরাপদ পথ ছিল না।

তিনি আরও বলেন, সেদিন সকালে শহীদ মিনার এলাকায় অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারীদের অনেকে গুলিবিদ্ধ হন। তবে সব বাধা অতিক্রম করে সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে আসেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সেই গণআন্দোলনের চাপে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে দুটি পথই খোলা ছিল ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া অথবা দেশ ত্যাগ করা।

সমাবেশে উপস্থিত নেতারা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন বক্তব্য দেন এবং আন্দোলনের লক্ষ্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581