এম সাইফুল ইসলাম
খুলনার তেরখাদায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশে সবার নজর কেড়েছেন এক তরুণ। সমাবেশে তাকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন আগ্রহ দেখা গেছে, তেমনি প্রধান অতিথির বক্তব্যেও উঠে এসেছে তার প্রসঙ্গ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে নিয়ে চলছে আলোচনা—‘কে এই ইন্টেলেকচুয়াল তরুণ?’
গত শনিবার বিকেলে তেরখাদা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। সমাবেশে উপস্থিত তরুণদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচনায় ছিলেন নাহিদ হাসান।
জানা গেছে, নাহিদ হাসান আসন্ন তেরখাদা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। পাশাপাশি তিনি তেরখাদা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা জেলা উত্তর শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করা নাহিদ হাসানকে স্থানীয়ভাবে একজন শিক্ষিত, চিন্তাশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় আগ্রহী তরুণ হিসেবে দেখা হয়।
তিনি এলএলবিতে অধ্যায়নরত রয়েছেন। সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি তেরখাদা উপজেলা সমাজকল্যাণ পরিষদ এবং তেরখাদা দক্ষিণপাড়া যুবসংঘের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কর্মী সমাবেশে নাহিদ হাসানের সক্রিয় উপস্থিতি এবং তার সাংগঠনিক ভূমিকা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যে তাকে নিয়ে কথা বলার বিষয়টি উপস্থিতদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তেরখাদার রাজনীতিতে তরুণ নেতৃত্বের উপস্থিতি বাড়ছে। নাহিদ হাসানের মতো শিক্ষিত ও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় তরুণরা আগামী দিনের স্থানীয় রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন, সেটিই এখন আলোচনার বিষয়।

