খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনার দৌলতপুর থানা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত আরমান ওরফে আরমিন ওরফে দিপুকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের বোয়ালমারী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খুলনার দৌলতপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তার আরমান দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার আসাদুজ্জামান মিঠুর ছেলে।
র্যাব-৬ জানায়, আরমানের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের তৎপরতা বাড়লে তিনি পরিবারসহ খুলনা ছেড়ে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে অবস্থান নেন। উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করার পর রোববার দুপুরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর র্যাবের একটি দল তাকে সঙ্গে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভৈরব নদ থেকে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ঘাউরা রাজিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরমান এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি। এছাড়া দৌলতপুর থানায় সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
র্যাবের দাবি, এলাকায় তার প্রভাব ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে ভুক্তভোগীরা অনেক সময় মামলা করতে সাহস পেতেন না। মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে মুসল্লিদের ওপর গুলি চালানোর একটি ঘটনার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তার আরমানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-৬।

