রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
খুলনা বিভাগ

এসএসসির ফলাফলে যশোর বোর্ডে শীর্ষে খুলনা জেলা

খুলনা ব্যুরো:

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন জেলাগুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে খুলনা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যশোর জেলা। সোমবার (১০ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী।

বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খুলনা জেলার ৫৪টি কেন্দ্রে ৩৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৪ হাজার ৪২১ জন। ফলে জেলায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ, যা যশোর বোর্ডের আওতাধীন জেলাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

পাসের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা যশোর জেলায় ৫৩টি কেন্দ্রে ৪৯৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২১ হাজার ৯০৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১৫ হাজার ১১৮ জন।

এদিকে তৃতীয় অবস্থানে থাকা চুয়াডাঙ্গায় ৮ হাজার ৫৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫ হাজার ৯০৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জেলাটিতে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৭০ শতাংশ।

অন্যান্য জেলার মধ্যে বাগেরহাটে ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭ হাজার ৭৫৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। সাতক্ষীরায় ১৪ হাজার ২৪৬ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ হাজার ৪৪৩ জন, পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

নড়াইলে ৬ হাজার ১৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ৩৬ জন পাস করেছে। এ জেলায় পাসের হার ৬৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। মাগুরায় ৭ হাজার ৪৯৫ জনের মধ্যে ৪ হাজার ৮৬০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাসের হার ৬৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

মেহেরপুরে ৬ হাজার ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩ হাজার ৯৩৫ জন। সেখানে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। ঝিনাইদহে ১৫ হাজার ৯৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০ হাজার ৫৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। আর কুষ্টিয়ায় ১৯ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ হাজার ৫৬৯ জন পাস করেছে। জেলাটির পাসের হার ৬২ দশমিক ৯০ শতাংশ।

ইংরেজি ও গণিতে পিছিয়ে ফল কমেছে

ফলাফল বিশ্লেষণ করে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী বলেন, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে তুলনামূলক দুর্বল ফলাফলই এবার সামগ্রিক পাসের হার কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

তিনি জানান, বিষয়ভিত্তিক ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একই চিত্র দেখা গেছে জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও—এক্ষেত্রেও নারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি।

পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, উত্তরপত্র মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হয়েছে এবং নির্ধারিত নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। সংখ্যাগত সাফল্যের চেয়ে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাকেই বোর্ড বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ

ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ১১ আগস্ট থেকে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

ফলে ফল প্রকাশের পর প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত নিয়মে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581