বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি হেলাল দিঘলিয়ার সারোয়ার খান কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগ ● বৃষ্টির শঙ্কায় বাংলাদেশ-চীন ম্যাচ, পরিত্যক্ত হলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ● নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ সরকারের ● ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ ● ভারতীয় ইলিশকে দেশীয় বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা
রাজনীতি

দলীয় কোন্দল মিটিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দিচ্ছে বিএনপি

এম সাইফুল ইসলাম:

আসন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনায় দলীয়ভাবে একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে মতবিনিময় সভা করেছে বিএনপি। সোমবার বিকেল ৩টায় খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে এ সভায় আমন্ত্রণ পায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ৪০০ নেতাকর্মি। জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় আলোচনা মূল বিষয় ছিলো দলীয় কোন্দল মিটিয়ে একাধিক প্রার্থী না হয়ে দলীয়ভাবে সমর্থিত একক প্রার্থী বাছাই। এছাড়া খুলনার উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়েও কথা হয়েছে।


দলীয় সূত্র জানায়, খুলনার নয়টি উপজেলা ও ৬৮টি ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই এবং মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। যেসব ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা প্রত্যাশিত ফল পাননি, সেসব এলাকায় জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়েও সভায় পরামর্শ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে একাধিক প্রার্থীর মাঠে নামা ঠেকানোর বিষয়ে নেতাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় দলের কেন্দ্রীয় নেতারা জেলার উন্নয়ন কর্মকা-ে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ, তদারকি ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করবেন। পাশাপাশি উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগ স্বীকারকারী, সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় এবং স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় ছিলো। জানা যায়, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিএনপি দলীয় প্রতীকে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তবে দিঘলিয়া, রূপসা ও কয়রা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় পরিচয়ের বাইরে কয়েকজন নেতা প্রার্থী হয়েছিলেন।

পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের সর্বশেষ উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ডা. আব্দুল মজিদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের অভিযোগ ছিল, তিনি প্রচারে নিজেকে আড়ালে রেখেছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৎকালীন সময়ে দলের সাংগঠনিক ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। যোগীপোল ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ও খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আব্বাস বলেন, সভায় আমিও ছিলাম। তৃনমূল কর্মিদের প্রত্যাশা যারা আন্দোলন-সংগ্রামে এবং গত ১৭ বছরে দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের মধ্য থেকেই যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে।
বটিয়াঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বটিয়াঘাটা থানা বিএনপির আহবায়ক এজাজুর রহমান শামীম জানান, সভায় একক প্রার্থীর ব্যাপারে কথা হয়েছে। আশা করি যোগ্য প্রার্থীদের মূল্যায়ন করবে। তিনি আরও বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোন সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

তবে শরীক দল নিয়েও কোন আলোচনা হয়নি। এ বিষয়ে খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে দিক-নির্দেশনামূলক পরামর্শ দিয়েছে। একইসাথে দলীয় কোন্দল মিটিয়ে ফেলার জন্য বলা হয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493