আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। হামলায় বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে নাবাতিয়েহ জেলার কাফর রেমান শহরে এ বিমান হামলা চালানো হয়। এর এক দিন আগে কাছের আরব সালিম শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত সাতজন নিহত ও ২০ জন আহত হন।
এদিকে রোববার ভোরে দক্ষিণ লেবাননের দেইর আল-জাহরানি শহরের একটি আবাসিক এলাকাতেও হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। হামলার আগে ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর একটি স্থাপনার কাছে থাকা একটি ভবন। তাদের ভাষ্য, ওই ভবন থেকে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
তবে হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্র ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। তাদের মধ্যে মাত্র দুই মাস বয়সী একটি শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছেন আলজাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর।
জেইনা খোদর বলেন, রাতভর হামলার পর দক্ষিণ লেবাননের মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় একের পর এক ইসরায়েলি হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি আবাসিক ভবনও ধ্বংস হয়েছে।
হামলার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রাতভর কাজ করা বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত জুনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। এতে অঞ্চলটির বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

