বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি হেলাল দিঘলিয়ার সারোয়ার খান কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগ ● বৃষ্টির শঙ্কায় বাংলাদেশ-চীন ম্যাচ, পরিত্যক্ত হলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ● নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ সরকারের ● ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ
খুলনা বিভাগ

খুলনাকে নান্দনিক শহর গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান কেসিসি প্রশাসকের

খুলনা প্রতিনিধি:

খুলনা শহরের হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে সব সরকারি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেছেন, অপচয় ও দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব হলে খুলনাকে আবারও একটি সুন্দর ও নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলা সহজ হবে।

বুধবার সকালে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে ‘ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্স স্ট্র্যাটেজি ফর খুলনা সিটি’ শীর্ষক কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাড়ির নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জলবায়ু সহনশীল কৌশল অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এ্যাকম্প্যানি মেজর কনসালট্যান্ট (এএমসি) ও খুলনা সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপ্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট’ (সিসিএইউডি) প্রোগ্রাম (ফেজ-২) যৌথভাবে কর্মশালাটি আয়োজন করে।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘খুলনা শহরের পৃথক একটি সৌন্দর্য ছিল, যা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। কাউকে দোষারোপ না করে নতুনভাবে শহরকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে কাজ শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে যার যে ভূমিকা রয়েছে, তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, সড়কের প্রশস্ততা ১২ ফুটের কম হলে বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া উচিত নয়। খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) নির্মিত আবাসিক এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় অনেক সুবিধা নেই। বিভিন্ন স্থানে অব্যবহৃত জায়গা পড়ে আছে। এসব জায়গার কিছু অংশ কেসিসিকে দেওয়া হলে সেখানে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণ করা সম্ভব হবে।

কেসিসি প্রশাসক বলেন, এসটিএস নির্মাণের জন্য অর্থের সংস্থান থাকলেও জায়গার অভাবে অনেক ক্ষেত্রে কাজ করা যাচ্ছে না। সবকিছুর মালিক রাষ্ট্র তথা জনগণ। তাই জনগণের কল্যাণে সব সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমেই খুলনাকে একটি সুন্দর ও নান্দনিক শহরে পরিণত করা সম্ভব।

তিনি নগরীতে নান্দনিক স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি নিম্নআয়ের মানুষের বসবাসের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

সিসিএইউডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও কেসিসির প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, কেডিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মুজিবুর রহমান এবং সিসিএইউডির টিম লিডার মেহেদী আহসান।

কর্মশালায় কেডিএ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), পানি উন্নয়ন বোর্ড, গণপূর্ত অধিদপ্তর, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ, ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493