বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি হেলাল দিঘলিয়ার সারোয়ার খান কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগ ● বৃষ্টির শঙ্কায় বাংলাদেশ-চীন ম্যাচ, পরিত্যক্ত হলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ● নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ সরকারের ● ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ
বাগেরহাট

রামপালে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, চলতি বছর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৪৫ জন

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের রামপালে দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। গত বছরের তুলনায় চলতি সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। মশার বংশবিস্তার রোধে জনসচেতনতার ঘাটতিকে সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা।

রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ১৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে বর্তমানে কতজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার বলেন, আগের তুলনায় উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক পর্যায়ে সম্মিলিতভাবে সচেতনতা বাড়াতে হবে।’

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও জানান, বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত পাত্র, ফুলের টব, ডাবের খোসা, পুরোনো টায়ারসহ বিভিন্ন স্থানে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। এসব স্থানে পানি জমতে না দেওয়া এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে শুধু মশা নিধন নয়, এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করা জরুরি। পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রামপালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে মশার বংশবিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং জনসচেতনতা বাড়ানো না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493