খুলনা ব্যুরো:
খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা ও মহানগর কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বে আগ্রহীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষ করেছে দলটি। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের পক্ষ থেকে নতুন কমিটি ঘোষণার আভাসও দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) খুলনায় এসে জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও সারোয়ার তুষার। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক। নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে দিনভর চলে এ সাক্ষাৎকার পর্ব।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা জেলা কমিটির শীর্ষ পদে দায়িত্ব পেতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন শওকত হোসেন বাবুল, আবু শাহাদাৎ বাবুল, মাহমুদুল হাসান ফয়জুল্লাহ, জাহিদুর রহমান প্রিন্স, আরিফুজ্জামান উজ্জল, কদরুল হাসান ও হাসানুর রহমান।
অন্যদিকে খুলনা মহানগর কমিটির নেতৃত্বে আলোচনায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন শরিফুল ইসলাম আহাদ, আহম্মেদ হামীম রাহাত, ডা. আব্দুল্লাহ চৌধুরী ও সাইফ নেওয়াজ।
এনসিপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য, তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং দলীয় কাঠামোকে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই বিভিন্ন জেলায় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় খুলনাতেও জেলা ও মহানগর পর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের কাজ চলছে।
এ বিষয়ে এনসিপির খুলনা জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাহমুদুল হাসান ফয়জুল্লাহ বলেন, দলের নিয়মিত সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই জেলা ও মহানগর কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় নেতারা খুলনায় এসেছেন। খুলনায় দলকে আরও গতিশীল করতে খুব শিগগিরই কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকার শেষে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম জানান, খুলনা জেলা ও মহানগরের আহ্বায়ক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আগ্রহী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার পর্ব শেষ হয়েছে। শিগগিরই জেলা ও মহানগরের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হবে।
একই সঙ্গে খুলনা জেলা ও মহানগরের নবগঠিত যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির কমিটির নেতাদের সঙ্গে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন কেন্দ্রীয় নেতারা।
দলীয় সূত্র আরও জানায়, জেলা ও মহানগরের নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই খুলনা ত্যাগ করেন সারজিস আলম।
নতুন কমিটি ঘোষণার পর খুলনায় এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

