রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
খুলনা বিভাগ

মোংলার ঘাষিয়াখালী নৌ চ্যানেলের ভাঙন বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ

মোংলা বাগেরহাট প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের রামপালে মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের তীব্র ভাঙনে রমজাইপুর গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত পাইলিং বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

রোববার বিকেলে বাগেরহাটের রামপালের রমজাইপুর এলাকায় তীব্র ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজাইপুর গ্রামের অনেকাংশ ইতোমধ্যে ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখনই এ ভাঙন প্রতিরোধ করা প্রয়োজন। ভাঙন রোধ করতে হলে এখানে পাইলিং বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।

তিনি বলেন, চলমান ড্রেজিংয়ের প্রভাবেও এ এলাকায় ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি মোংলা-ঘাষিয়াখালী একটি আন্তর্জাতিক নৌরুট হওয়ায় প্রতিনিয়ত এ পথে বড় বড় নৌযান ও জাহাজ চলাচল করে। নৌযানের ঢেউ এবং জোয়ার-ভাটার আঘাতেও তীর ভাঙনের সৃষ্টি হচ্ছে।

পাইলিং বাঁধ নির্মাণ করা গেলে এ ভাঙন অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে উল্লেখ করে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের বসবাসের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধ করতে হবে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে কার্যকর ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভাঙনপ্রবণ এলাকায় টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিরাজ মোল্লা।

বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল বলেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশে ভাঙনের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি। তবে মোংলা অংশেও ভাঙন রয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে রমজাইপুর ছাড়াও সিংগড়বুনিয়ায় পাকা রাস্তা ও কয়েকটি বাড়ি ভেঙে নদীতে চলে গেছে। ভাঙনের কবলে পড়েছে পেড়িখালী খেয়াঘাট ও রামপাল সরকারি কলেজের মাঠও।

এ ছাড়া ওড়াবুনিয়ায় ১২ থেকে ১৩টি বাড়িসহ প্রায় ১০০ একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুড়কা, ছাড়াখালীসহ প্রায় ১০টি পয়েন্টে বর্তমানে ভাঙন চলছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা আরও জানান, ইতোমধ্যে তিনটি পয়েন্টে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু হয়েছে। বড় ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোতে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে নতুন করে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এতে বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ নদীতীরবর্তী জনবসতি হুমকির মুখে পড়তে পারে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581