খুলনা ব্যুরো:
খুলনা বিভাগের বিভিন্ন বাজারে তদারকিমূলক অভিযান চালিয়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) খুলনা মহানগরীসহ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, চাল, ভোজ্যতেল, গ্যাস, ওষুধ, ডায়াগনস্টিক সেবা, আলু, দেশি পেঁয়াজ, সবজি, মুরগি ও ডিমের বাজারদর এবং ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার যাচাই করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি, মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে খুলনা মহানগরীর সদর থানার ময়লাপোতা মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন ও বিক্রির অপরাধে হাওড়া বেকারিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই এলাকার গল্লামারীতে খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দিনারা জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করায় প্যারিস কেককে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মেহেরপুর সদর উপজেলার বড় বাজার এলাকায় জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের অপরাধে খাওনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানার সবুজবাগ এলাকায় খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ বিন হাবিবের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের অপরাধে ইসমাইল ফুডকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মেডিকেল কলেজ গেট বাজার এলাকায় জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম আলীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে যথাযথভাবে পণ্য সরবরাহ না করা এবং ভেজাল ওষুধ বিক্রির অপরাধে রুহল ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলা হয়, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে মূল্য তালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রির বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সচেতন করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

