স্পোর্টস ডেস্ক:
এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের প্রাথমিক পর্বে নতুন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে জর্ডানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে বাংলাদেশ পুলিশ এফসি। শনিবার (৮ আগস্ট) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আম্মানের পথে রওনা হয় আসিফুজ্জামানের দল।
আগামী মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জর্ডানের রাজধানী আম্মানের কিং আবদুল্লাহ-২ স্টেডিয়ামে সিরিয়ার ক্লাব আল ইত্তিহাদ আহলির বিপক্ষে মাঠে নামবে পুলিশ এফসি। ক্লাবটির ইতিহাসে এটিই প্রথম এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের ম্যাচ। ফলে অভিষেকের এই ম্যাচকে ঘিরে দলের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি রয়েছে কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিও।
মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে পুলিশ এফসি দলে ছয়জন বিদেশি ফুটবলারকে অন্তর্ভুক্ত করে লড়াইয়ে নামার পরিকল্পনা করেছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বিদেশি খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভালো ফল পাওয়াই এখন দলের অন্যতম লক্ষ্য।
এবার বাংলাদেশের শীর্ষ ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস ও রানার্সআপ আবাহনী লিমিটেডের এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে কিছু জটিলতার কারণে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) তাদের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়নি।
ফলে বিকল্প হিসেবে সুযোগ আসে লিগের তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা ফর্টিস এফসি এবং বাংলাদেশ পুলিশ এফসির সামনে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এবারই প্রথম মহাদেশীয় ফুটবলের মঞ্চে পা রাখতে যাচ্ছে পুলিশ এফসি।
অন্যদিকে ফর্টিস এফসির অভিযান শুরু হবে দেশের মাটিতে। একই দিন, অর্থাৎ ১১ আগস্ট বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় কিরগিজস্তানের ক্লাব মুরাস ইউনাইটেডের বিপক্ষে খেলবে তারা।
বাংলাদেশের দুই প্রতিনিধি—ফর্টিস এফসি ও বাংলাদেশ পুলিশ এফসির এই অভিযানের দিকে এখন নজর দেশের ফুটবলপ্রেমীদের। মহাদেশীয় মঞ্চে অভিষেকেই পুলিশ এফসি কতটা চমক দেখাতে পারে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।
দলের যাত্রার আগে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভকামনা জানিয়েছে। এক বার্তায় তারা লিখেছে, ‘মহাদেশীয় মঞ্চে দলের জন্য শুভকামনা।’

