রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির ● লংমার্চের নামে ১১ দলীয় ঐক্যজোট গাড়িমার্চ করছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী ● বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেলো, মুক্তিপণের জন্য হত্যা রাকিবকে
জাতীয়

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬ গেজেট আকারে প্রকাশ

ন্যাশনাল ডেস্ক:

বিদ্যমান ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯’ রহিত করে প্রণীত ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আইনটি সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়।

গেজেটে আইনটিকে ‘২০২৬ সালের ১১০ নম্বর আইন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে ১৯৭৯ সালের ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত হয়ে নতুন আইনটি কার্যকর হলো।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করেন।

নতুন আইনে এপিবিএনকে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠন ও পরিচালনার বিধান রাখা হয়েছে। এ বাহিনীর আওতায় স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়ন এবং সরকার নির্ধারিত অন্য কোনো বিশেষ ব্যাটালিয়ন থাকবে।

আইনে এপিবিএনের ক্ষমতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নিজস্ব অধিক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের সরাসরি আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বাহিনীটিকে। ফলে ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুসরণ করে এপিবিএনের সদস্যরা অপরাধস্থলে প্রবেশ, তল্লাশি, আলামত ও মালামাল জব্দ এবং সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারবেন।

এ ছাড়া এপিবিএনের প্রশাসনিক তথ্য ও দাপ্তরিক নথির সুরক্ষায় নতুন আইনে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া বাহিনীর কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে এপিবিএন-সংক্রান্ত তথ্য, দাপ্তরিক দলিল কিংবা স্পর্শকাতর কোনো বিষয় প্রকাশ করতে পারবেন না। এ ধরনের তথ্য প্রকাশে কাউকে কোনো ধরনের সহযোগিতা করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া বিলটি পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হলো। নতুন আইনের মাধ্যমে এপিবিএনের সাংগঠনিক কাঠামো, দায়িত্ব ও ক্ষমতার বিষয়ে বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তে একটি পৃথক আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হলো।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581