ন্যাশনাল ডেস্ক:
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশ গঠন এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন।
রোববার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের হাটহাজারীর পার্বতী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য জনগণের কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগাতে হবে। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে উৎপাদনশীল শ্রমশক্তিতে পরিণত করার মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। এ জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে হবে। নতুন নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। তবে বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের জন্য প্রথম প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। দেশে বিশৃঙ্খলা থাকলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্টের অপচেষ্টার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, একটি পক্ষ বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। জনগণকে এসব অপতৎপরতা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে, যাতে কেউ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে দেশের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করার সুযোগ না পায়।
তিনি আরও বলেন, যারা বিভ্রান্তি ছড়ায় তারা একসময় নিজেদের মতো সরে যাবে, কিন্তু এর নেতিবাচক প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপরই পড়বে। তাই দেশের স্বার্থে জনগণকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পথে কোনো বাধা মেনে নেওয়া হবে না। যারা দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন সময় দেশ গড়ার এবং জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের। মানুষের কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে।

