বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি হেলাল দিঘলিয়ার সারোয়ার খান কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগ ● বৃষ্টির শঙ্কায় বাংলাদেশ-চীন ম্যাচ, পরিত্যক্ত হলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ● নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ সরকারের ● ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ
আন্তর্জাতিক

ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে আরও ১০০ বার হামলা চালাতাম: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে প্রয়োজনে দেশটির ওপর আরও বহুবার সামরিক হামলা চালাতেন বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ঝুঁকি এতটাই গুরুতর ছিল যে সামরিক পদক্ষেপ ছাড়া বিকল্প খুব কমই ছিল।

এক রেডিও সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা না চালালে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বড় একটি অংশ ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়ত। এমনকি প্রয়োজন হলে একই ধরনের অভিযান আরও ১০০ বার চালাতেও তিনি পিছপা হতেন না বলে জানান।

ট্রাম্পের দাবি, হামলার সময় ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল তাঁর ভাষায়, সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র প্রায় দুই সপ্তাহ। এই আশঙ্কা থেকেই ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

হামলার পর ইরানের সামরিক সক্ষমতাও বড় ধাক্কা খেয়েছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। বিশেষ করে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে এবং অর্থনীতিও গভীর সংকটে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে এসব মূল্যায়ন মূলত ট্রাম্পের নিজস্ব বক্তব্য ও দাবির ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গণমাধ্যমে পরিস্থিতিকে যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, বাস্তব চিত্র তার চেয়ে ভিন্ন—এমন দাবি করে তিনি বলেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়েও ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছেন; তবে এ দাবি নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।

ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের জন্য দায়ী করে ট্রাম্প আরও বলেন, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোও ইরানের সামরিক তৎপরতার ঝুঁকিতে ছিল। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ না করলে এসব দেশ আরও বড় ধরনের আক্রমণের মুখে পড়তে পারত।

ট্রাম্পের বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রয়েছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা এই তিন ইস্যু ঘিরেই সংঘাতের অন্যতম প্রধান উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপের ঘোষণা দিয়েছে, অন্যদিকে তেহরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

ট্রাম্পের বক্তব্যে স্পষ্ট, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপকে তিনি শুধু পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকানোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন না; বরং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রভাব ও মিত্রদের নিরাপত্তার সঙ্গেও বিষয়টিকে যুক্ত করছেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493