ন্যাশনাল ডেস্ক:
পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণই একটি সুন্দর ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় দেশবাসীর প্রতি এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ নাগরিক হিসেবে সবার নৈতিক দায়িত্ব। প্রত্যেকে যদি নিজের অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করেন, তাহলে দেশকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের বিভিন্ন শহর, উপজেলা ও গ্রামীণ জনপদের বর্তমান পরিবেশগত চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাজার, সড়ক কিংবা জনসমাগমস্থল অনেক জায়গাতেই ব্যবহৃত টিস্যু, চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিকের বোতল এবং অন্যান্য বর্জ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। এ ধরনের দৃশ্য কয়েক দশক আগে এতটা সাধারণ ছিল না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমানে যত্রতত্র আবর্জনা ফেলার প্রবণতা পরিবেশের পাশাপাশি দেশের সৌন্দর্যও নষ্ট করছে। একটি বাসা যেমন অগোছালো ও নোংরা থাকলে কারও ভালো লাগে না, তেমনি দেশের জনপরিসরও পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব।
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের ব্যবহৃত বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও দৃষ্টিনন্দন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, আজকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ পরিবেশ এবং পরিচ্ছন্ন দেশ উপহার দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

