বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি হেলাল দিঘলিয়ার সারোয়ার খান কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগ ● বৃষ্টির শঙ্কায় বাংলাদেশ-চীন ম্যাচ, পরিত্যক্ত হলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ● নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ সরকারের ● ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ
জাতীয়

এলএনজি কার্গো সংকটে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ, জাতীয় গ্রিডে কমল গ্যাস সরবরাহ

ন্যাশনাল ডেস্ক:

এলএনজি কার্গোর ঘাটতিতে মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার দুপুরের পর টার্মিনালে থাকা শেষ মজুত এলএনজিও শেষ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহের দায়িত্ব মূলত সামিটের টার্মিনালনির্ভর হয়ে পড়েছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ১২টায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ২ হাজার ২৮৯ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি)। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে পাওয়া যায় ১ হাজার ৬২৮ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে আসে ৬৬১ মিলিয়ন ঘনফুট।

তবে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এলএনজি সরবরাহে বড় ধরনের পতন দেখা দেয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে এলএনজি থেকে সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ৫৬২ মিলিয়ন ঘনফুটে। এ সময় দেশীয় উৎসের সরবরাহ প্রায় ১ হাজার ৬২৭ মিলিয়ন ঘনফুট থাকলেও জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস প্রবাহ কমে দাঁড়ায় প্রায় ২ হাজার ১৮৯ মিলিয়ন ঘনফুটে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) একজন কর্মকর্তা জানান, বুধবার দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে এক্সিলারেটের এফএসআরইউতে থাকা শেষ মজুত এলএনজিও শেষ হয়ে যায়। এরপর থেকে ওই টার্মিনাল দিয়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

অন্যদিকে, মহেশখালীর সামিটের এলএনজি টার্মিনাল সচল রয়েছে। বর্তমানে ওই টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ কোনো কারিগরি ত্রুটি নয়; বরং প্রয়োজনীয় এলএনজি কার্গো সময়মতো না আসা। এর আগে টার্মিনালের বয়লার মেরামত নিয়ে সাময়িক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। এক্সিলারেটের পক্ষ থেকে বয়লার সচল করতে প্রায় ৭২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বয়লার সচল হওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়।

কিন্তু বয়লার সচল হলেও টার্মিনাল চালু রাখার মতো পর্যাপ্ত এলএনজি মজুত ছিল না। ফলে যান্ত্রিক সক্ষমতা ফিরে আসার পরও জ্বালানি সংকটের কারণে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, এক্সিলারেটের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্যাস ব্যবস্থায় সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। এলএনজি কার্গো না আসা পর্যন্ত সামিটের টার্মিনালের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

অর্থাৎ, বয়লার সচল হওয়ার পরও এলএনজি কার্গোর অনুপস্থিতিই এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুনরায় চালুর পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন কার্গো এসে টার্মিনালে এলএনজি মজুত তৈরি না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ নেই।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493