ন্যাশনাল ডেস্ক:
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি কমিশনের রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
সোমবার (৩ আগস্ট) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের সঙ্গে এখনো কোনো পর্যায়ের আলোচনা হয়নি। সরকারের সিদ্ধান্ত পেলেই কমিশন প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, যদি অক্টোবর মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু না হয়, তাহলে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার নির্ধারিত সময়সীমা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে। এ বিষয়ে কমিশন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
এদিকে, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর ২০২৫ সালের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় শেষ হলেও এখনো আটটি দল কমিশনে তাদের হিসাব জমা দেয়নি। এসব দলের মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জাগপা, তৃণমূল বিএনপি, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, আম জনতার দল এবং জনতার দল।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার কথা থাকলেও সরকারি ছুটির কারণে সময় বাড়িয়ে ২ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়। এই সময়ের মধ্যে নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীরসহ ৩৮টি দল নির্ধারিত সময়েই তাদের আর্থিক হিসাব জমা দিয়েছে।
অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টিসহ ১৩টি রাজনৈতিক দল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হিসাব প্রস্তুত করতে না পারায় অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করেছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, যেসব দল এখনো হিসাব জমা দেয়নি, তাদের বিষয়ে কমিশন বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ নির্বাচন আয়োজনের জন্য এখনো কোনো তফসিল বা নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। তবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের কাছে ভোটার তালিকা চেয়ে ইতোমধ্যে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

