বিনোদন ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক কসমেটিকস প্রদর্শনী ‘কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনে রিমার্ক-হারল্যানের প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেছেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-এর হল-৪-এ প্রদর্শনীস্থলে তিনি বিভিন্ন কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্য ঘুরে দেখেন।
প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনের সময় সাবিলা নূর কয়েকটি পণ্যের সোয়াচ করে রং, টেক্সচার ও ব্যবহারযোগ্যতা পরীক্ষা করেন। এ সময় রিমার্ক-হারল্যানের নতুন প্যাকেজিং নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
সাবিলা নূর বলেন, পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি এর উপস্থাপনাও ভোক্তাদের আগ্রহ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন প্যাকেজিংয়ে রিমার্কের পণ্যগুলো আরও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পণ্য পরিদর্শনের পর প্যাভিলিয়নে উপস্থিত দর্শনার্থীদের সঙ্গে সময় কাটান সাবিলা নূর। তাকে ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। অনেকে তার সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। সাবিলা নূরও ভক্তদের সঙ্গে সেলফি তোলার পাশাপাশি কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহারের বিষয়ে তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী প্রসাধনী ও স্কিনকেয়ার পণ্য বাছাই নিয়েও আগ্রহী দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তার উপস্থিতিতে রিমার্ক-হারল্যানের প্যাভিলিয়নে দর্শনার্থীদের ভিড় ও আগ্রহ বাড়ে।
পরিদর্শন শেষে রিমার্ক-হারল্যানের পক্ষ থেকে সাবিলা নূরকে বিশেষ উপহার দেওয়া হয়। এ সময় হারল্যানের হেড অব মার্কেটিং হাবিবুল্লাহ হাবিব, রিমার্কের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর মিজানুর রহমানসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিমার্ক-হারল্যানের প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি, প্যাকেজিং ও মান নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতাও তুলে ধরা হচ্ছে।
তিন দিনব্যাপী ‘কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬’-এ বিশ্বের ১৬টি দেশের ৫৮টি কোম্পানি ও ১৩২টি ব্র্যান্ড অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশের প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা শিল্পকে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ, প্রযুক্তি, জ্ঞান ও নতুন বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
রিমার্ক-হারল্যান গ্রুপ প্রদর্শনীর সহযোগী হিসেবে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি বড় পরিসরে প্যাভিলিয়ন নিয়ে অংশ নিয়েছে। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের পাশাপাশি উৎপাদন প্রযুক্তি, প্যাকেজিং ও গুণগত মান নিশ্চিত করার সক্ষমতা তুলে ধরা হচ্ছে।

