বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি হেলাল দিঘলিয়ার সারোয়ার খান কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগ ● বৃষ্টির শঙ্কায় বাংলাদেশ-চীন ম্যাচ, পরিত্যক্ত হলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ● নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ সরকারের ● ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ
জাতীয়

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

ন্যাশনাল ডেস্ক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন করে তুলনামূলক দুর্বল আইন প্রণয়নের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।

রোববার জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল উত্থাপনের সময় এ ঘটনা ঘটে। বিলটি উত্থাপনের জন্য আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে আহ্বান জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় বিলটির বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘দুর্বল আইন পাস করার অংশীদার হবো না। আমরা এ আইনের আলোচনায় অংশগ্রহণ করছি না এবং আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।’

এরপর বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ থেকে বেরিয়ে যান। জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ওয়াকআউট করার জন্য আপনাদেরও ধন্যবাদ।’

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিলের সময় সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আরও শক্তিশালী ও উন্নত আইন সংসদে আনা হবে। কিন্তু বর্তমানে যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল আনা হয়েছে, তাতে সে প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি।

তিনি বলেন, মানবাধিকার সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনে আইনের স্পষ্ট দ্বৈত প্রয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনকে সবার জন্য অভিন্ন ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, কোনো সাধারণ নাগরিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত হলে মানবাধিকার কমিশন সরাসরি তার বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে। কিন্তু শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। ফলে একই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে এক পক্ষের বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্ত করা গেলেও অন্য পক্ষের ক্ষেত্রে তা বাধাগ্রস্ত হবে।

তিনি বলেন, ‘আইনের দ্বৈত প্রয়োগ হতে পারে না। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যরা রাষ্ট্রের কর্মচারী, কিন্তু তারাও এ দেশের নাগরিক। একই অপরাধে একজনের বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্ত করা যাবে, আরেকজনের ক্ষেত্রে আটকে যাবে—এটা হতে পারে না।’

এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে দুটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। পরে সরকার সেগুলো বাতিল করে নতুন করে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়।

রোববার জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। পরে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল পাসের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উত্থাপনের কথা রয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493