রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
খুলনা বিভাগ

নড়াইলে শিশু শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষকের যাবজ্জীবন

নড়াইল প্রতিনিধি:

নড়াইল সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে মেরাজ আলী (২৪) নামে এক শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আজিবুর রহমান। তিনি জানান, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত মেরাজ আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মেরাজ আলী চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়া বাকরী এলাকার আমানুল্লাহ হকের ছেলে। ঘটনার সময় তিনি নড়াইল সদর উপজেলার ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১২ জুলাই ভুক্তভোগী শিশুটির মা মাদ্রাসায় খাবার দিতে যান। এ সময় শিশুটি তার মাকে জানায়, শিক্ষক মেরাজ আলী গত দুই মাসে একাধিকবার তাকে নিপীড়ন করেছেন। সর্বশেষ ১০ ও ১১ জুলাই রাতেও তাকে নিপীড়নের অভিযোগ করা হয়। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে পরিণতি ভালো হবে না—এমন ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে চুপ থাকতে বলা হয়েছিল বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ওইদিন সন্ধ্যায় মাদ্রাসা থেকে পালানোর চেষ্টা করেন মেরাজ আলী। স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

পরে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে নড়াইল সদর থানায় মেরাজ আলীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মামলার বিচারিক কার্যক্রমে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত মেরাজ আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581