বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি হেলাল দিঘলিয়ার সারোয়ার খান কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগ ● বৃষ্টির শঙ্কায় বাংলাদেশ-চীন ম্যাচ, পরিত্যক্ত হলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ● নতুন কুঁড়ির ৩০৬ প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ সরকারের ● ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ
জাতীয়

ডেঙ্গুর সংক্রমণ মোকাবিলায় তিন মাসব্যাপী অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ন্যাশনাল ডেস্ক:

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেছেন, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণ হতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার তিন মাসব্যাপী জনসচেতনতামূলক অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসব্যাপী জনসচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে বাড়িঘর ও কর্মস্থলের আশপাশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জনসচেতনতা সৃষ্টি ও এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ডা. মুহিত বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রধান দুটি লক্ষ্য হলো আক্রান্তের সংখ্যা কমানো এবং মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ার সময়ে হাসপাতালগুলোতে শয্যা, স্যালাইন ও পরীক্ষার কিটের সংকট এড়াতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমান রোগীর হার বিবেচনায় পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন মজুত রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যাও চালু করা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে প্রয়োজনে অন্যান্য শয্যা পুনর্বিন্যাস করে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণের সময়ে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি। প্রয়োজন হলে এসব হাসপাতালকে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ সময়ে অযৌক্তিকভাবে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ানো যাবে না। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493