ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি:
খুলনার ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামে অফিস চলাকালীন সময়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আমিনুর রহমান বুলবুলের চেম্বার দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে। একই সময়ে অফিস সহায়কের কক্ষেও কাউকে পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে ওই কক্ষে লাইট ও ফ্যান এবং পাশের একটি কক্ষে লাইট জ্বলতে দেখা গেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও অপচয় রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার মধ্যে অফিস সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি এবং প্রয়োজন ছাড়া বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চালু রাখার অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সরকারি সম্পদ ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব। অফিস চলাকালীন দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কক্ষ বন্ধ থাকা এবং একই সময়ে লাইট-ফ্যান চালু থাকার বিষয়টি সরকারি দপ্তরের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আমিনুর রহমান বুলবুলের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে স্থানীয় নাগরিক সমাজের কয়েকজন সদস্য বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান জনগণের অর্থে পরিচালিত হয়। তাই কোনো সরকারি দপ্তরে দায়িত্বে অবহেলা, অফিস সময়ে অনুপস্থিতি কিংবা বিদ্যুতের অপচয়ের অভিযোগ উঠলে তা যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
তাদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত। তদন্তে অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
নাগরিক সমাজের সদস্যরা আরও বলেন, সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও প্রতিটি সরকারি দপ্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সুশাসনের অন্যতম শর্ত। এ কারণে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন তারা।

