রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
রাজনীতি

লংমার্চে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হলে বিএনপিই আগে করত: চিফ হুইপ

রাজনীতি ডেস্ক:

লংমার্চের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হলে সবার আগে বিএনপিই লংমার্চ করত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি। তিনি অভিযোগ করেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করে রেখে গেছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে সাত দিনের সরকারি সফরে বরগুনায় গিয়ে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

লংমার্চ প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, “একটা মায়ের পেটে সন্তান আসতে ১০ মাস সময় লাগে। অথচ আমরা পাঁচ মাসের মাথায় দুটি লংমার্চ দেখেছি। যারা লংমার্চ করেছেন, কী কারণে করেছেন—তা আমি জানি না। তাদের সেই জ্ঞান-বুদ্ধি হয়েছে কি না, তাও জানি না।”

বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ এমন কোনো পণ্য নয়, যা ইচ্ছা করলেই মজুত করে রাখা বা লুকিয়ে রাখা সম্ভব। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে যে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি করে যাওয়া হয়েছে, তা সাধারণ মানুষের ধারণারও বাইরে।

নুরুল ইসলাম মনি অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের নাম উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, বিদ্যুৎ খাতের অর্থ নিয়ে আজিজ খান দেশ ছেড়ে চলে গেছেন।

চিফ হুইপ আরও অভিযোগ করেন, দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হলেও সেগুলো থেকে প্রত্যাশিত বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়নি। তাঁর ভাষ্য, নিম্নমানের যন্ত্রপাতি আমদানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত করা হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়ায় প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাটের সুযোগ তৈরি করা হয়েছিল।

পায়রা বন্দরের চ্যানেল খনন প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পায়রা বন্দরের চ্যানেল খনন করা হলেও তাঁর দাবি অনুযায়ী, খননের আগে ও পরে চ্যানেলের গভীরতা ৫ মিটারই ছিল। এ প্রকল্পে বিপুল অর্থের অপচয় ও অনিয়ম হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

দেশের বিভিন্ন খাতে এ ধরনের অনিয়ম ও লুটপাটের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ক্ষতি করা হয়েছে উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তবে বিদ্যুৎ খাত ও পায়রা বন্দরের চ্যানেল খনন প্রকল্প নিয়ে চিফ হুইপের উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581