রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির ● লংমার্চের নামে ১১ দলীয় ঐক্যজোট গাড়িমার্চ করছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী ● বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেলো, মুক্তিপণের জন্য হত্যা রাকিবকে ● সাতক্ষীরার তালায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত অন্তত ২০
আইন ও আদালত

জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান দুই ফ্ল্যাটসহ ৪৯ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাতের নামে থাকা দুটি ফ্ল্যাটসহ ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর নামে থাকা ২৯ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালত এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, অধ্যাপক আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কোম্পানিকে অবৈধভাবে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানে তাঁর নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা আড়াই লাখ টাকা এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও ধানমণ্ডিতে থাকা দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে।

এ ছাড়া তাঁর নামে তিন কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ এবং ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলারের সম্পদের তথ্য পাওয়ার কথা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সম্পদের মধ্যে ২৯ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ রয়েছে।

দুদক বলেছে, বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বিক্রি বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। অভিযোগের অনুসন্ধান ও নিষ্পত্তির আগে এসব সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর বা বিক্রি হয়ে গেলে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

এ কারণে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ১৪ ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী তাঁর নামে থাকা সম্পদগুলো অবিলম্বে জব্দ ও অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করে দুদক।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১০ জুলাই ঢাকার ধানমণ্ডির বাসা থেকে দুদকের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হন অধ্যাপক আবুল বারকাত। পরে ওই মামলায় জামিন পাওয়ার পর জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তী সময়ে ওই মামলায় জামিন পেয়ে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581