রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির ● লংমার্চের নামে ১১ দলীয় ঐক্যজোট গাড়িমার্চ করছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী ● বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেলো, মুক্তিপণের জন্য হত্যা রাকিবকে ● সাতক্ষীরার তালায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত অন্তত ২০
আন্তর্জাতিক

ইরানের বিমান সংস্থাগুলো অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের বিমান সংস্থাগুলোকে সেবা দেওয়া অব্যাহত রাখলে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, আগামী বুধবার থেকে ইরানের সব বিমান সংস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়তে পারে।

বেসেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, ইরানি বিমান অবতরণ করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্বালানি, ল্যান্ডিং ও অন্যান্য অবতরণ-সেবা দেওয়া যাবে না। এমনকি ইরানি এয়ারলাইন্সের টিকিট বিক্রি করলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে মার্কিন ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করা হতে পারে।

ইরানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন এ হুমকি দিয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় আগে নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকা ইরানি এয়ারলাইন্সগুলোর পাশাপাশি দেশটির বিমান খাতকে সহায়তার অভিযোগে কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিমান চলাচল খাত আগে থেকেই সংকটে রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশটির এয়ারলাইন্সগুলোর নতুন উড়োজাহাজ কেনা, প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ এবং রক্ষণাবেক্ষণসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

ইরানকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করার বৃহত্তর মার্কিন উদ্যোগের অংশ হিসেবেই নতুন পদক্ষেপটি নেওয়া হচ্ছে। ওয়াশিংটনের এই সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের সঙ্গে জ্বালানি, নৌপরিবহন, প্রযুক্তি, স্বর্ণ ও ডিজিটাল সম্পদসহ বিভিন্ন খাতে লেনদেনকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও শাস্তির মুখে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের কথা রয়েছে। এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক সহযোগী ও কূটনৈতিক মিত্র চীন। ফলে তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার মার্কিন প্রচেষ্টায় বেইজিংয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

বেসেন্টের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের প্রক্রিয়ায় চীনা কর্মকর্তারা ‘পুরোপুরি যুক্ত’ রয়েছেন। ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অনুসরণের বিষয়ে পিপলস ব্যাংক অব চায়নার গভর্নর প্যান গংশেংসহ চীনের শীর্ষ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

তবে বেসেন্টের এই বক্তব্যের বিষয়ে চীনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে চীন বরাবরই নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলে আসছে। একই সঙ্গে কোনো দেশের বিরুদ্ধে একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও প্রকাশ্যে বিরোধিতা করে আসছে বেইজিং।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581