আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইসরাইলের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর পরিচালিত ‘অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম’ তেল আবিবের প্রত্যাশা ও কল্পনারও বাইরে ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান স্টাফ মেজর জেনারেল আবদোল্লাহি। তাঁর দাবি, ওই অভিযান প্রতিরোধ অক্ষের শত্রুদের হিসাব-নিকাশ বদলে দিয়েছে এবং ফিলিস্তিনি প্রতিরোধকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ‘অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম’-এর তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। খবর মেহের নিউজ এজেন্সির।
বার্তায় আবদোল্লাহি বলেন, ‘আল-আকসা স্টর্ম’ ইসরাইলি শাসনের প্রত্যাশা ও কল্পনাকে ছাড়িয়ে গেছে। এ অভিযান প্রতিরোধ অক্ষের শত্রুদের পরিকল্পনায় বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে গুরুতর আঘাত হেনেছে।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনাপ্রবাহ প্রতিরোধ অক্ষের কৌশলকে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক অবস্থানে নিয়ে যায়। এর উদ্দেশ্য ছিল ফিলিস্তিনি জনগণ ও তাদের ভূখণ্ডের বৈধ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে এ অভিযান ইসরাইলের পতনের গতি আরও ত্বরান্বিত করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ইরানের এই সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসলামী উম্মাহর শত্রুদের, বিশেষ করে ইসরাইলকে বুঝতে হবে প্রতিরোধ অক্ষের নিহত নেতাদের উত্তরাধিকার ও আদর্শ অব্যাহত থাকবে। এ প্রসঙ্গে তিনি ইরানের সাবেক কুদস ফোর্স প্রধান কাসেম সোলাইমানি, হিজবুল্লাহর সাবেক মহাসচিব হাসান নাসরাল্লাহ, হামাসের সাবেক রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়া এবং ইয়াহইয়া সিনওয়ারের নাম উল্লেখ করেন।
আবদোল্লাহির ভাষ্য, এসব নেতার আদর্শ ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তাঁর দাবি, এই ধারাবাহিক সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসানে ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যু ও প্রতিরোধ অক্ষের প্রতি ইরানের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। আল-কুদস (জেরুজালেম) ‘মুক্ত’ না হওয়া পর্যন্ত ইরান এই অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

