খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সংস্থা টেরে ডেস হোমস্ (টিডিএইচ) বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ‘স্টুডেন্ট রিসার্চ গ্র্যান্ট প্রোগ্রাম ২০২৬’ চালু হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ৩১টি গবেষণা প্রস্তাবের মধ্য থেকে সাত শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।
গবেষণা অনুদানের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা হলেন—অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের নাবিল আহমেদ চৌধুরী, সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের মো. হেলালুজ্জামান ও দৃষ্টি মজুমদার, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের অলব্রাইট বাড়ৈ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের খালিদ আহমেদ, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের মো. হাসিবুল আলম সম্পদ এবং শিক্ষা ডিসিপ্লিনের মো. লিমন শেখ।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা জলবায়ু পরিবর্তন ও শিশু পুষ্টি, কিশোর-কিশোরীদের ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি, শিশুকেন্দ্রিক আগাম দুর্যোগ সতর্কতা, লবণাক্ততার কারণে নারী ও কিশোরীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুর্যোগ মোকাবিলায় যুব স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় শিশু ও তরুণদের পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি এবং খেলাধুলার মাধ্যমে কিশোরদের নেতৃত্ব ও সহনশীলতা বিকাশসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করবেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নূরুন্নবী, টিডিএইচ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিনিয়া আফরোজ, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আশিক উর রহমান, অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ও প্রোগ্রামের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ড. মো. নাসিফ আহসান এবং টিডিএইচ বাংলাদেশের কর্মকর্তা মোহাম্মদ এহসান উল ইসলাম চৌধুরী ও সুরজিৎ কুণ্ডু।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীনসহ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও টিডিএইচ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগ তৈরি এবং জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ, শিশু অধিকার ও জনস্বাস্থ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিষয়ে প্রমাণভিত্তিক গবেষণাকে উৎসাহিত করাই এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

