ন্যাশনাল ডেস্ক:
মক্কা চুক্তিকে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, এ চুক্তি নিয়ে অন্যদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশকে এ চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলে সরকার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
রুমিন ফারহানা তার সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত ৭ আগস্ট মক্কা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশ এ চুক্তিতে যুক্ত হলে দেশের কী ধরনের সুবিধা হতে পারে—তা জানতে চান তিনি।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, মক্কা প্যাক্ট বর্তমানে তিনটি দেশের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছে এবং বাংলাদেশ বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। তবে এতে বাংলাদেশের যোগদানের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এখনো আসেনি।
তিনি বলেন, চুক্তিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি মূলত বর্তমান সদস্য দেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর নির্ভর করছে। তারা যদি বাংলাদেশকে এ প্যাক্টে অন্তর্ভুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে সরকার বিষয়টি অবশ্যই ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, প্রস্তাব আসার আগে এ চুক্তির ভালো-মন্দ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সময় সম্ভবত এখনো আসেনি। তবে কোনো প্রস্তাব এলে সংশ্লিষ্ট সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
খলিলুর রহমান বলেন, মক্কা প্যাক্ট ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হলে এটি বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করতে পারে।
তিনি বলেন, “এটি আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং, তা নিয়ে অন্যদের উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই।”

