রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির ● লংমার্চের নামে ১১ দলীয় ঐক্যজোট গাড়িমার্চ করছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী ● বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেলো, মুক্তিপণের জন্য হত্যা রাকিবকে ● সাতক্ষীরার তালায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত অন্তত ২০
শিক্ষা ও প্রযুক্তি

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টা ৬ মিনিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে বেশি, ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ৭১৪ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩১৩ জন।

বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৫০ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২২৮ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯৫৩ জন।

এ ছাড়া সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২০৪ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৫২০ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ১৩৭ জন।

চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯২১ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী।

ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২ জুলাই দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়।

পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে

প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা আগামীকাল রোববার (১ নভেম্বর) থেকে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। আবেদন গ্রহণ চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, কেবল অনলাইনে আবেদন করা যাবে। ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর সচল মোবাইল নম্বর দিয়ে আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর ওই নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হবে।

প্রতিটি পত্রের পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় ও সোনালী সেবার মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা যাবে।

আবেদনপ্রক্রিয়ায় প্রথমে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে যে বিষয় বা বিষয়গুলোর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি পরিশোধের পর আবেদন পোর্টালে ফিরে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করলেই আবেদন সম্পন্ন হবে।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, ফি পরিশোধের আগে নির্বাচিত বিষয় পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ অপশন ব্যবহার করে নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে। তবে ফি পরিশোধের পর আবেদন করা কোনো বিষয় বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই পরিশোধ করা ফি ফেরত দেওয়া হবে না।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581