খুলনা প্রতিনিধি
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, এ দেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সামাজিক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার একটি মহামিলন।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে খুলনা নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও পূজারি-ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শন করা মণ্ডপগুলোর মধ্যে রয়েছে টুটপাড়া গাছতলা মন্দির, কেশব চন্দ্র সার্বজনীন পূজামন্দির, রূপসা মহাশ্মশান ও শ্মশান কালীমন্দির।
শফিকুল আলম তুহিন বলেন, ‘দেশনায়ক তারেক রহমানের স্পষ্ট বার্তা—ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। আমাদের সবার মূল পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।’ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, কোনো অপশক্তি যেন ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের ঐতিহাসিক জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সর্বস্তরের নাগরিককে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে খুলনা মহানগরীর সব সনাতন ধর্মাবলম্বীর প্রতি বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান শফিকুল আলম তুহিন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গার আগমনে সবার জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আসবে এবং উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়বে প্রতিটি ঘরে।
তিনি বলেন, সম্প্রীতি ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সবাই মিলে একটি সুন্দর ও নিরাপদ দেশ গড়ে তোলাই হোক এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের অঙ্গীকার।
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, কে এম হুমায়ূন কবীর, মো. নাসির উদ্দীন, অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান নান্নু, শফিকুল ইসলাম জোয়ার্দার জলি, নুরুল আলম দীপু, মোল্লা সালাউদ্দীন বুলবুল, মঞ্জুরুল আলম, জহিরুল ইসলাম খান জুয়েল, সওগাতুল আলম সগীর, জিয়াউর রহমান খান আপন, শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, আব্বাস আলম, মফিজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান লিটন, এস এম মুরাদ হোসেন, সৈয়দ আজাদ, আলমগীর আজাদ মিলন, শহিদুল ইসলাম, মো. লিটু ও শাহরুজ্জামান মুকুল।
এ ছাড়া স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের মধ্যে পুলক কান্তি দাস, শুভাগত দত্ত, কৃষ্ণ বণিক, নিখিল কুমার বিশ্বাস, নির্মলেন্দু মন্ডল, সঞ্জিব বণিক, উত্তম গুপ্ত ও পপি ব্যানার্জীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

