রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
বিনোদন

ইলিয়াস কাঞ্চনের বাসায় সুচন্দা-চম্পা, পুরোনো স্মৃতিতে আবেগঘন সন্ধ্যা

বিনোদন ডেস্ক:

দীর্ঘ ১৫ মাস লন্ডনে চিকিৎসা শেষে স্বল্প সময়ের জন্য দেশে ফিরেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। দেশে ফেরার পর থেকেই সহকর্মী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার খোঁজ নিতে এবং দেখা করতে ছুটে যাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে গুলশানে ইলিয়াস কাঞ্চনের বাসায় উপস্থিত হন চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও দুই বোন সুচন্দা ও চম্পা।

প্রিয় দুই সহকর্মীকে একসঙ্গে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন ইলিয়াস কাঞ্চন। অসুস্থতার নানা প্রতিকূলতার মাঝেও তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় গল্প, আড্ডা ও চলচ্চিত্রের পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণে মেতে ওঠেন তিনি। একসময় জমে ওঠে তিন তারকার আন্তরিক আড্ডা।

কাঞ্চনের জন্য ফুল ও উপহার নিয়ে গিয়েছিলেন সুচন্দা ও চম্পা। সাক্ষাতের একপর্যায়ে চম্পা আবেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা আপনাকে ভালোবাসি।’ জবাবে ইলিয়াস কাঞ্চনও ভালোবাসার কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমিও ভালোবাসি সবাইকে। খুব ভালো লাগছে।’

আড্ডায় উঠে আসে ঢালিউডের সোনালি সময়ের নানা স্মৃতি। বিশেষ করে সুচন্দার প্রযোজনায় নির্মিত ‘তিনকন্যা’ সিনেমার প্রসঙ্গ নিয়ে চলে আলোচনা। সিনেমাটিতে ইলিয়াস কাঞ্চনও অভিনয় করেছিলেন। পুরোনো সেই স্মৃতির রেশ ধরেই সুচন্দা ও চম্পা কাঞ্চনের কাছে গান শোনানোর আবদার করেন।

সহকর্মীদের অনুরোধ ফেলতে পারেননি কাঞ্চন। গেয়ে ওঠেন তার অভিনীত ‘অচেনা’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘আর যাব না আমেরিকা’। গানের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান সুচন্দা ও চম্পাও। তিনজনের একসঙ্গে গান গাওয়ার সেই মুহূর্তটি হয়ে ওঠে সন্ধ্যার অন্যতম আবেগঘন ও স্মরণীয় সময়। পরে আরও কয়েকটি গানের অংশ গেয়ে শোনান ইলিয়াস কাঞ্চন।

সেদিনের আড্ডায় আরও উপস্থিত ছিলেন অভিনয়শিল্পী সুব্রত, জ্যাকি আলমগীর এবং প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে কাঞ্চনের সঙ্গে দেখা করতে যান জয় চৌধুরী ও আবীর চৌধুরী।

ইলিয়াস কাঞ্চন দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত ১৫ মাস ধরে তিনি লন্ডনে অবস্থান করে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এখনো প্রত্যাশিত উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে শিগগিরই আবার লন্ডনে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

অসুস্থতার এই কঠিন সময়েও সহকর্মীদের ভালোবাসা ও সান্নিধ্য যে তাকে মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে, সুচন্দা-চম্পার সঙ্গে কাটানো এই আন্তরিক সন্ধ্যাই যেন তারই একটি উজ্জ্বল মুহূর্ত হয়ে থাকল।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581