আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
উত্তর আন্দামান সাগরে থাইল্যান্ডের কাছাকাছি এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও শক্তিশালী হয়ে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। পরবর্তী সময়ে নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’। নামটি দিয়েছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের (আইএমডি) বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডাউন টু আর্থ।
আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সৃষ্ট ঘূর্ণাবর্তটি আগামী ২১ বা ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর এটি অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে সোমবার (১৯-২১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ওড়িশা, তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড় ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। সৌরাষ্ট্র থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত এবং সিকিম থেকে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমি অক্ষরেখার কারণে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
শনিবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া হতে পারে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজ্যের কয়েকটি জেলায় শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের কয়েকটি এলাকাতেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে।
তবে ঘূর্ণাবর্তটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কি না এবং এর সম্ভাব্য গতিপথ কী হবে, তা পরবর্তী সময়ে আবহাওয়ার পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া সংস্থার পূর্বাভাসের ওপর নির্ভর করবে।

