নিজেস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:
বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ না করা, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি, অনিয়ম-দুর্নীতি এবং জীবননাশের হুমকির অভিযোগ তুলে নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, খুলনার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ ও তাঁর পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (মার্কেটিং, প্রমোশন অ্যান্ড ব্র্যান্ডিং) মো. মাহমুদ হাসান।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে মাহমুদ হাসান বলেন, ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে তিনি নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, খুলনায় কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘদিন চাকরি করার পরও তাঁর প্রায় ৩৬ মাসের বেতন-ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ বিভিন্ন পাওনা পরিশোধ করা হয়নি। তাঁর দাবি অনুযায়ী, এসব পাওনার মোট পরিমাণ ১ কোটি ২৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭৫৮ টাকা।
তিনি অভিযোগ করেন, পাওনা পরিশোধের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অনুরোধ ও তাগাদা দেওয়া হলেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না করে দীর্ঘদিন ধরে কালক্ষেপণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে তাঁকে অপমান-অপদস্থ করা, দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
মাহমুদ হাসান আরও বলেন, এসব বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর আইনজীবীর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে তাঁর পাওনা পরিশোধের পাশাপাশি উত্থাপিত অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাঁর পাওনা পরিশোধ এবং অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, খুলনা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

