খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সলুয়ায় নির্মাণাধীন বর্জ্য রিসাইক্লিং প্ল্যান্টের মেশিনারিজ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্ল্যান্টটির কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এ তথ্য জানান।
পরিদর্শনকালে প্ল্যান্টের মেশিনারিজ প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়। পরে উপস্থিত কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রশাসক বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে চালুর ৩০ ঘণ্টা পর এর ফলাফল জানা যাবে। প্রথমবার চালুর পর প্রকৌশলীরা এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দেবেন।
প্ল্যান্টটির কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে খুলনার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, বর্জ্য তখন আর বোঝা হিসেবে থাকবে না; তা সম্পদে পরিণত হবে। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশন ও জেলা শহরের জন্য প্রকল্পটি একটি মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
কেসিসি ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প-২ (সিআরডিপি-২)-এর আওতায় প্রায় ৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সলুয়া ল্যান্ডফিলে বর্জ্য রিসাইক্লিং প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়েছে। প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্ল্যান্টটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হবে।
পরিদর্শনকালে সিআরডিপি-২ প্রকল্পের টিম লিডার মো. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্রের (বিটাক) সাবেক চেয়ারম্যান ড. এসানুল হক, কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মো. ওবায়দুল্লাহ খান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহবুব ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী মো. মাহবুবুর রহমান, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন মোল্লা, প্রকল্প ব্যবস্থাপক মিন্টু মণ্ডল, ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. সোহেল রানাসহ টেকনিক্যাল টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সর্বশক্তি দিয়ে কাজ চলছে
এদিকে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় খালিশপুরের লাল হাসপাতালে কেসিসির উদ্যোগে নবম ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের বিনা মূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা, ডেঙ্গু পরীক্ষা ও ওষুধ সরবরাহের লক্ষ্যে কেসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে তিনি ৯০ দিনের সময় নির্ধারণ করেছেন। এরই মধ্যে ২০ দিন পার হয়েছে। তবে এর আগে থেকেই ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। নির্ধারিত বাকি সময়েও ডেঙ্গু মোকাবিলায় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

