খুলনা প্রতিনিধি
খুলনায় একদিনে পৃথক ঘটনায় যুবদলের দুই নেতাসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নগরীর নিরালা এলাকায় এক সিগারেট কোম্পানির কর্মচারীকে গুলি করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। একই দিন সন্ধ্যায় বটিয়াঘাটায় যুবদলের এক সাবেক নেতাকে গুলি করা হয়। এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে গুলিবিদ্ধ হন উপজেলা যুবদলের এক সদস্য।
সর্বশেষ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের চক্রাখালী বাজারে গুলিবিদ্ধ হন ওহিদুল ইসলাম বাদল (৪০)। তিনি জলমা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী। তিনি ওই এলাকার আলতাফ হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন বাদল।
এ বিষয়ে বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।
এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে খুলনা নগরীর নিরালা এলাকার ১৭ নম্বর সড়কে সালমান (২৩) নামে এক সিগারেট কোম্পানির কর্মচারীকে গুলি করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন রিপন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কী কারণে সালমানকে গুলি করা হয়েছে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে। এ জন্য ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এদিকে সোমবার দিবাগত রাত ১২টার পর বটিয়াঘাটা উপজেলার বড় কড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গুলিবিদ্ধ হন উপজেলা যুবদলের সদস্য সোহেল শেখ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
একদিনের ব্যবধানে খুলনায় পৃথক তিনটি গুলির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে এসব ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

