পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার খরনা ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। এই নির্বাচনে খরনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পটিয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল কবির চৌধুরী টিটু।
পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক সুখ্যাতি ও গত নির্বাচনে বিপুল ভোট পাওয়ার সুবাদে এবারও তিনি আশাবাদী জয়ের বিষয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফয়জুল কবির চৌধুরী টিটু একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তাঁর দাদা মরহুম এয়ার আলী চৌধুরী সুদীর্ঘকাল খরনা ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। দাদার সেই সেবামূলক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ফয়জুল কবির টিটুও দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে জনগণের সেবা করে যাচ্ছেন।
বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও তিনি অংশ নিয়ে সর্বস্তরের মানুষের বিপুল ভোট ও সমর্থন লাভ করেন। এর আগে তার বড় ভাই ইলিয়াস চৌধুরী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে মাএ ৩০ ভোটে হার মানতে হয়। এ নির্বাচন প্রহসনের পক্ষপাত মুলক দাবি উঠে ঐ সময়। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ইতিমধ্যে খরনা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সাথে গণসংযোগ ও মতবিনিময় শুরু করেছেন। খরনা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, ডিজিটাল ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন এই তরুণ রাজনৈতিক নেতা।নিজের প্রার্থীতা ও লক্ষ্যের বিষয়ে ফয়জুল কবির চৌধুরী টিটু বলেন, “আমাদের পরিবার অতীতেও খরনার সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমি নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদকে একটি সম্পূর্ণ জবাবদিহিমূলক ও হয়রানিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলব, যেখানে সাধারণ মানুষ সহজেই তাদের অধিকার ও সেবা পাবে।
এছাড়া মাদক ও সমাজবিরোধী সকল কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে খরনাকে একটি শান্তিময় ইউনিয়ন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে আমি বদ্ধপরিকর।তিনি আরও বলেন, “জনগণ যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন, তবে সেবার দরজা সর্বসাধারণের জন্য সব সময় উন্মুক্ত থাকবে।” আসন্ন নির্বাচনে খরনা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে তিনি এলাকার সকল স্তরের জনগণের সহযোগিতা, দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন।
নির্বাচনী এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দানশীল ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতা হিসেবে ফয়জুল কবির চৌধুরী টিটুর প্রতি এলাকার তরুণ সমাজ ও সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহ ও সমর্থন রয়েছে।

