রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির ● লংমার্চের নামে ১১ দলীয় ঐক্যজোট গাড়িমার্চ করছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী ● বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেলো, মুক্তিপণের জন্য হত্যা রাকিবকে ● সাতক্ষীরার তালায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত অন্তত ২০
কেসিসি নির্বাচন

চার শূন্য নীতিতে ওয়ার্ড গড়তে চান সাবেক কেসিসি কর্মকর্তা এস কেএম তাছাদুজ্জামান

স্টাফ রিপোর্টার:

মাদক, সন্ত্রাস, নিরক্ষরতা ও শিশুশ্রম—এই চার সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় ‘চার শূন্য’ নীতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর প্রার্থী এসকেএম তাছাদুজ্জামান। নির্বাচিত হলে সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা ও ক্রীড়ার সুযোগ বাড়িয়ে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য ওয়ার্ড গড়ে তুলতে চান তিনি।

তাছাদুজ্জামানের পরিকল্পনার চারটি অগ্রাধিকার হলো—মাদক শূন্য, সন্ত্রাস শূন্য, নিরক্ষরতা শূন্য ও শিশুশ্রম শূন্য। বিশেষ করে তরুণ ও শিশু-কিশোরদের অপরাধ ও মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। এ লক্ষ্যে ওয়ার্ডে একাধিক খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এসকেএম তাছাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (আইইআর) ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সাবেক ছাত্রদল ও বিএনপি নেতা। বর্তমানে সুশাসনের জন্য নাগরিক—সুজনের মহানগর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক শিক্ষা ও রাজস্ব কর্মকর্তা।

শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি খুলনা আহসানিয়া মিশন হাফিজিয়া মাদরাসা ও বানিয়াখামার দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদরাসার সহসভাপতি। এছাড়া রেড ক্রিসেন্ট ও শিশু ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। তার পূর্বের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে বসুপাড়া কবরস্থানসহ ওয়ার্ডের কয়েকটি স্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে।
এসকেএম তাছাদুজ্জামান বলেন, একটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন শুধু রাস্তা, ড্রেন বা অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের নিরাপদ জীবন, শিক্ষার সুযোগ এবং শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করাও জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব। তাই নির্বাচিত হলে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে ‘চার শূন্য’ নীতির বাস্তবায়নে কাজ করতে চান তিনি।

তিনি আরও বলেন, তরুণদের জন্য খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো গেলে তাদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা সম্ভব। পাশাপাশি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, শিশুশ্রম বন্ধ এবং অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে এসব কাজের পাশাপাশি সামাজিক সমস্যাগুলোর সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে চান তিনি।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581