রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
সারাদেশ

৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত চুয়েট উপাচার্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে পুলিশি পাহারায় তাঁকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে আনা হয়। এ সময় উপাচার্যকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

উপাচার্যকে মুক্ত করার সময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মাসুদ আলম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপাচার্যের সঙ্গে অবরুদ্ধ থাকা অন্য ব্যক্তিরাও মুক্ত হন। তবে তাঁদের পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে পড়েন তিনি।

একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে ভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ভবন ত্যাগ না করায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভবনে তালা দেন। এতে উপাচার্যসহ ভেতরে অবস্থানরত ব্যক্তিরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটডাউন কর্মসূচি শুরু হয়।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে যোগ দেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এ আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। অন্যদিকে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষক সমিতি। সংকট নিরসনে বিভিন্ন মহল থেকে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি উঠলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা কাটেনি।

এ পরিস্থিতির মধ্যে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা সংকটকে আরও জটিল করে তোলে। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনের উপস্থিতিতে উপাচার্যসহ অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের মুক্ত করা হয়।

তবে উপাচার্যকে মুক্ত করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অচলাবস্থা নিরসনে কোনো উদ্যোগ বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581