রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
জাতীয়

সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোটের উদ্যোগ সরকারের

ন্যাশনাল ডেস্ক:

সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে জনগণের মতামত নিতে আবারও গণভোট আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি মনে করছে, মৌলিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জনগণের সরাসরি মতামত নেওয়া প্রয়োজন।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির তৃতীয় বৈঠকে সরকারের এ অবস্থান উঠে আসে। বৈঠকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা অংশ নিয়ে সংবিধান সংশোধনের বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন। দুপুর আড়াইটায় শুরু হওয়া বৈঠক চলে বিকেল সোয়া ৫টা পর্যন্ত।

বৈঠক শেষে দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধান সংশোধনের পর আবারও গণভোট আয়োজনের কথা জানিয়েছে বিশেষ কমিটি। কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংবিধানেও বলা আছে, মৌলিক পরিবর্তন করতে হলে গণভোটে যেতে হয়। এবার যেহেতু মৌলিক পরিবর্তন আনা হবে, তাই আবারও গণভোট আয়োজন করতে হবে। এটি হবে সাংবিধানিক গণভোট।

বৈঠকে জানানো হয়, আগামী বছরের শুরুতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সংবিধান সংশোধন বিল পাস হবে বলে আশা করছে বিশেষ কমিটি। এ লক্ষ্যেই বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নিয়ে বিলটি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

বৈঠকে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে বিরোধী দলকে সর্বোচ্চ আস্থায় নিয়ে কমিটির বৈঠকে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

মুস্তাফিজ শফি বলেন, সাংবাদিকদের এ আহ্বানের জবাবে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে বিরোধী দলকে উপস্থিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। তবে তারা কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হয়ে মতামত না দিলেও সংসদে সংবিধান সংশোধন বিল উত্থাপনের পর আলোচনায় অংশ নেবে বলে আশা করছে বিশেষ কমিটি।

তিনি জানান, বৈঠকে প্রায় ৫০ জন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য দেন। সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে এসব মতামত যাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সে জন্যই তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মুস্তাফিজ শফি বলেন, সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সবাই মত দিয়েছেন, সংবিধান সংশোধন জাতীয় ঐকমত্যের বিষয়। কিন্তু বিরোধী দল এই কমিটিতে নেই এবং তাদের মতামতও পাওয়া যায়নি। এ কারণে বিরোধী দলকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কমিটির চেয়ারম্যান এ বিষয়ে আন্তরিকতার কথা জানিয়েছেন। বিরোধী দলকে কমিটিতে যুক্ত করতে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। কমিটির আশা, বিরোধী দল শেষ পর্যন্ত কমিটিতে না এলেও সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে গেলে তারা সহযোগিতা করবে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনার বিষয়েও মতামত দেওয়া হয়। মুস্তাফিজ শফি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে যে বিশাল ও একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা রাষ্ট্র ও জাতির জন্য ভালো হয়নি বলে মত দিয়েছেন সাংবাদিকরা। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে আসতে সংবিধান সংশোধনের সময় ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581