রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
সারাদেশ

দুধ চুরির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরের নেছারাবাদে শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ স্কুল ফিডিংয়ের দুধ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ছাত্রদল নেতা নাদিম মাহমুদকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ ছাত্রদলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক খালিদ হাসান।

জেলা ছাত্রদল সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘স্কুল ফিডিংয়ের দুধ চুরি, ২৭ প্যাকেট ফেরত’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি সংগঠনের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্তে নাদিম মাহমুদকে বহিষ্কার করা হয়। জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক খালিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নাদিম মাহমুদ স্বরূপকাঠি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ১ নম্বর বলদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে বহিষ্কৃত নাদিম মাহমুদের সঙ্গে সাংগঠনিক কোনো ধরনের সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, নেছারাবাদ উপজেলার ১৪৮ নম্বর দক্ষিণ বিন্না কাইলান্তরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ ৩০ প্যাকেট দুধ নাদিম মাহমুদসহ কয়েকজন নিয়ে যান। গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিন্না খালে নৌকাবাইচ উপলক্ষে বিদ্যালয়ে অতিথিদের আপ্যায়নে শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকার সময় লাইব্রেরিতে রাখা দুধ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নাদিম মাহমুদ ২৭ প্যাকেট দুধ কিনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দেন। বাকি তিন প্যাকেট দুধ খেয়ে ফেলা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

অভিযোগের বিষয়ে নাদিম মাহমুদ বলেন, তিনি ও তাঁর দুই বন্ধু বিদ্যালয় থেকে ৩০ প্যাকেট দুধ নিয়েছিলেন। ওই দুধ শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ ছিল, তা তাঁরা জানতেন না। পরে বিষয়টি জানতে পেরে ২৭ প্যাকেট দুধ কিনে বিদ্যালয়ে ফেরত দিয়েছেন।

এদিকে, ঘটনার কয়েক দিন পর শিক্ষা অফিসকে অবহিত করায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নেছারাবাদ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মঈনুল ইসলাম বলেন, ঘটনার কয়েক দিন পার হলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি শিক্ষা অফিসকে জানায়নি। এ কারণে প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581