রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ যোগাযোগ আমাদের পরিচয়
English
সর্বশেষ খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, যানজট ও দখলমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নজরুল ইসলাম মঞ্জু ● খুলনার লবণচরায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত ● প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থাপিত তোরণ-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ খুলনা বিএনপির ● টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ ● যেকোনো হুমকির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির
সারাদেশ

বরিশালে টানা পঞ্চম দিন এলপিজি সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

বরিশাল ব্যুরো:

বরিশালে টানা পঞ্চম দিন রোববারও তীব্র এলপিজি গ্যাস সংকট অব্যাহত রয়েছে। নগরীর অধিকাংশ বিক্রয়কেন্দ্রে ১২ কেজির সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও সীমিত পরিমাণে পাওয়া গেলেও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা।

একই সংকটে পড়েছেন অটোগ্যাসনির্ভর থ্রি-হুইলার চালকেরাও। গ্যাসের জন্য এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে ছুটতে হচ্ছে তাদের। নগরীর বেশির ভাগ অটোগ্যাস স্টেশনে পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রায় এক মাস ধরে চাহিদার তুলনায় এলপিজির সরবরাহ কম। এতে ধীরে ধীরে মজুত কমে গিয়ে সংকট তীব্র হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৬ সেপ্টেম্বর পাইকারি বাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫৫ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৬৪০ টাকায় দাঁড়ায়। এর আগে দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। তবে দাম বাড়লেও কোম্পানিগুলো ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার সরবরাহ করতে পারছে না।

সরবরাহ সংকটের প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। কয়েক দিন আগেও ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ১ হাজার ৭৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে তা ১ হাজার ৮৫০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

ভোক্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘গ্যাসের জন্য কয়েকটি দোকানে খোঁজ করেও সিলিন্ডার পাইনি। পরে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।’

খুচরা ব্যবসায়ী মারুফ হাওলাদার বলেন, ‘সপ্তাহখানেক ধরে আমরাই পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছি না। সরবরাহ কম থাকায় দোকানে সিলিন্ডার রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বেশি দামে কিনতে হলে স্বাভাবিকভাবেই বিক্রয়মূল্যও বেড়ে যাচ্ছে।’

সান গ্যাসের বরিশালের ডিলার মো. জুয়েল বলেন, চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম পাওয়ায় বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে।

এদিকে, বাসাবাড়ির পাশাপাশি পরিবহন খাতেও এলপিজি সংকটের প্রভাব পড়েছে। বরিশাল নগরীর প্রায় ১০টি এলপিজি ফিলিং স্টেশনের বেশির ভাগেই পর্যাপ্ত অটোগ্যাস নেই বলে চালকেরা জানিয়েছেন। নগরীতে অনুমোদিত গ্যাসচালিত থ্রি-হুইলারের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৬০০। গ্যাস না পেয়ে এসব গাড়ির চালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকে গ্যাসের সন্ধানে এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে ছুটছেন।

সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এলপিজির সংকট আরও তীব্র হওয়ার পাশাপাশি ভোক্তা ও পরিবহন খাতে ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

একটি মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/modhumot/public_html/wp-includes/functions.php on line 5581