ন্যাশনাল ডেস্ক:
রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। সেখানে সমন্বয়ের অভাব ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জেনেছি।’ বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
চাঁদাবাজদের তালিকা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজদের তালিকা করা পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। পুলিশের কাছে এ ধরনের তালিকা সব সময়ই থাকে। একইভাবে সন্ত্রাসী, অপরাধী, মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্রধারীদের তালিকাও পুলিশের কাছে রয়েছে এবং সেগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়। নতুন করে কোনো তালিকা করা হয়েছে—এমন বিষয় নেই।
তিনি বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রয়েছে এবং তা আরও জোরদার করা হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সরকার অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করছে। অভিযোগ পাওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ট্রিপল নাইন নম্বরে ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে, গ্রেপ্তার করছে এবং মামলা নিচ্ছে।
এর আগে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএনসিসি। এ সময় হকারদের সঙ্গে পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ডিএনসিসির তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের সময় ডিশ লাইনের কেবলের তার খুলে ফেলা হচ্ছিল। একপর্যায়ে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন পাশের একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ট্রান্সফরমারটিতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ে।

