ন্যাশনাল ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতি মানেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। দেশে বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করছে সরকার। একই সঙ্গে আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে।
শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা, নীতিমালার ধারাবাহিকতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে এ পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, সরকার এখন প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। জনগণের জন্য সরকারি সহায়তা ও সেবা আরও সহজলভ্য করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষক কার্ড’ ও ‘হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে ‘ইউনিভার্সেল কার্ড’-এর মাধ্যমে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় সরকারি সেবা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও গতিশীল করতে সরকার কাজ করছে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করা হবে।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এবারের ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এ ১০০টির বেশি দেশের প্রায় দেড় হাজার প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সংলাপে প্রায় ২০০ জন বক্তা অংশ নেবেন।
অনুষ্ঠানে সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ, মালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুসা মারা এবং মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
এবারের সংলাপের প্রতিপাদ্য—‘ফ্র্যাগমেন্টস, ফ্রন্টিয়ার্স, ফিউচার্স: নেভিগেটিং পাওয়ার, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন আ ওয়ার্ল্ড রিরিটেন’। বাংলায় যার ভাবার্থ, ‘পুনর্লিখিত এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার নতুন পথচলা’।

