ন্যাশনাল ডেস্ক
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয় নির্ধারণে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় জাতীয় গ্রিড পরিচালনাকারী সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সঞ্চালন-২-এর প্রধান প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলীর নেতৃত্বে গঠিত কমিটি বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশমালা প্রণয়ন করবে।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনায় রাজধানী ঢাকার পূর্বাঞ্চলের বড় একটি এলাকা এবং চট্টগ্রামের কিছু অংশে একযোগে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়।
পরে যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় গ্রিডের পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। বিকেলে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানায়, দুপুর আড়াইটায় জাতীয় গ্রিডের পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় দেশের সব গ্রিড লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্র চালু ছিল।
সংস্থাটি আরও জানায়, বন্ধ হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে চালু করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষিপ্ত লোডশেডিং কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনাকাঙ্ক্ষিত এ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনসাধারণের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি।

