মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোংলায় চোরাই মালামালসহ আটক দুই যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৬ (মোংলা)-এর বিচারক আনিস মুন্সী এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত দুই যুবক হলেন মো. শাকিল হাওলাদার (২২) ও মো. আবুল হোসেন (২৩)। তাঁরা মোংলা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
মোংলা থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে মোংলা বন্দর শহরের রিজেকশনগলী এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে স্থানীয় লোকজন ওই দুই যুবককে আটক করেন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক দুজন ও উদ্ধার করা মালামাল নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পরে সোমবার দুপুরে পুলিশ তাঁদের বাগেরহাটের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করে সংক্ষিপ্ত বিচারের আবেদন করে। মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দুই আসামিকে পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।
রায়ে শাকিল হাওলাদারকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাঁকে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে আবুল হোসেনকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাঁকেও আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার সন্ধ্যায় মোংলা থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রোববার রাতে স্থানীয় লোকজন চোরাই মালামালসহ দুই যুবককে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের ও উদ্ধার করা মালামাল নিজেদের হেফাজতে নেয়।
ওসি আরও বলেন, সোমবার দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক সংক্ষিপ্ত বিচার শেষে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। মোংলায় অপরাধ দমনে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

